শরীরের যেকোনো অংশের অনাকাঙ্ক্ষিত আঁচিল (Warts), ভেরুকা (Verruca) কিংবা স্কিন ট্যাগ ঘরোয়া উপায়ে ব্যথাহীনভাবে দূর করার জন্য এটি একটি আধুনিক পেন-স্টাইল সলিউশন । এর বিশেষ জেল ফর্মুলা অস্ত্রোপচার বা কাটাছেঁড়া ছাড়াই আঁচিল শুকিয়ে ঝরিয়ে দিতে সাহায্য করে ।
মূল বিষয়সমূহ ও প্রস্তুতকারকের নির্দেশিকা:
১. এটি কিভাবে কাজ করে?
পেনটিতে থাকা অ্যাক্টিভ ফর্মুলা আঁচিলের ভেতরের শক্ত টিস্যু ও কেরাটিনকে ধীরে ধীরে নরম করে দেয়[1]। কয়েকদিন ব্যবহারের পর আঁচিলের রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে এটি শুকিয়ে কালচে হয়ে যায় এবং প্রাকৃতিকভাবে চামড়া থেকে খসে পড়ে[1]।
২. উপাদান (Key Ingredients):
স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid ~17%): আঁচিলের অতিরিক্ত চামড়া গলাতে প্রধান ভূমিকা রাখে[1]।
ক্যাস্টর অয়েল (Castor Seed Oil): ত্বক নরম রাখতে সাহায্য করে[1]।
প্রাকৃতিক এক্সট্র্যাক্ট ও ইথানল: ত্বককে ব্যাকটেরিয়ামুক্ত ও সংক্রমণহীন রাখতে সহায়তা করে[1][4]।
৩. ব্যবহারের সঠিক নিয়ম:
আক্রান্ত স্থানটি কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকনা করে নিন[5]।
সুস্থ চামড়া বাঁচাতে আঁচিলের চারপাশের স্বাভাবিক ত্বকে সামান্য ভেসলিন লাগিয়ে নিতে পারেন।
পেনের পেছনের অংশ ঘুরিয়ে (twist করে) ব্রাশে জেল আনুন এবং শুধুমাত্র আঁচিলের ওপর জেলটি লাগান[1]।
জেলটি শুকাতে ২–৩ মিনিট অপেক্ষা করুন[1]।
দিনে ১ থেকে ২ বার নিয়মিত ব্যবহার করুন[5]।
৪. ভালো হতে কতদিন সময় লাগতে পারে?
ছোট আঁচিল বা স্কিন ট্যাগ: ৭ থেকে ১৪ দিন (১-২ সপ্তাহ)।
তুলনামূলক বড় বা শক্ত আঁচিল: ৩ থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত নিয়মিত ব্যবহারে পুরোপুরি ঝরে যায়[1]।
৫. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা:
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: এটি রাসায়নিক এক্সফোলিয়েটর হওয়ায় সুস্থ ত্বকে লাগলে সাময়িক জ্বালাপোড়া, লালচে ভাব বা চুলকানি হতে পারে।
সতর্কতা:
চোখ, মুখ ও সংবেদনশীল গোপনাঙ্গে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
কাটা বা ক্ষতস্থানে ব্যবহার করবেন না।
শিশুদের নাগালের বাইরে এবং সরাসরি রোদ থেকে দূরে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন[5]।
৬. মেয়াদ (Shelf Life):
উৎপাদনের তারিখ থেকে ৩ বছর (৩৬ মাস) পর্যন্ত ভালো থাকে[6]। (প্যাকেট বা বক্সে এক্সপায়ারি ডেট উল্লেখ থাকে)।










Reviews
There are no reviews yet.